Latest News

শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০১৬

বিয়ের আগে ত্বকের যত্নে যা করবেন

বিয়ের আগে ত্বকের যত্নে যা করবেন

বিয়ে’ প্রতিটি মেয়ের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এই দিনটি ঘিরে প্রতিটি মেয়ের অনেক স্বপ্ন থাকে। সবাই চায় এই দিনটিতে তাকে আর সবার থেকে একটু বেশি সুন্দর লাগুক। এই সুন্দর লাগার জন্য বিয়ের আগ থেকে ত্বকের নিতে হয় বাড়তি যত্ন। অনেকেই পরামর্শ দিয়ে থাকে পার্লারে যাওয়ার জন্য। কিন্তু ব্যস্ততায় সব সময় পার্লারে যাওয়ার সময় হয়ে উঠে না। তখন বাসায় নিতে হয় ত্বকের যত্ন। বিয়ের দুই সপ্তাহ আগ থেকে নিয়ম করে মেনে চলুন এই নিয়মগুলো।  বিয়ের আগে কনের ত্বকের যত্ন সম্পর্কে এমন কিছু উপায়ের কথা জানা যায় indianroots.com এবং .indiatimes.com থেকে।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য
তৈলাক্ত ত্বকের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল তেল চিটচিটে ভাব। এই তৈলাক্ত ভাব কমানোর জন্য indiatimes কিছু উপায় জানিয়েছে।

১। ডিটক্স করুন

বিয়ের আগের সপ্তাহ থেকে ডিটক্স লিকুইড পান করা শুরু করুন। এটি আপনার ত্বককে ভিতর থেকে গ্লো করতে সাহায্য করবে। ফল দেহের মেদ কাটার পাশাপাশি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব অনেক কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

২। সপ্তাহে দুইবার স্ক্রাব করুন

মুখ বেশি ঘেমে গেলে ত্বককে ব্রণ হওয়া বেড়ে যায়। এই ঘাম রোধ করার জন্য সপ্তাহে দুইবার স্ক্রাবিং করুন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমিয়ে ব্রণ হবার প্রবণতা কমিয়ে থাকে। তার সাথে ব্ল্যাক হেডেস এবং হোয়াইট হেডেস দূর করে।

৩। হালকা লোশন ব্যবহার করুন

দিনে দুইবার সকালে এবং রাতে লোশন ব্যবহার করুন। এটি ত্বক হাইড্রেটেড করে ত্বককে সুস্থ রাখবে।

৪। ফেইস প্যাক ব্যবহার করুন

ডারমাকোলজিস্ট Dr Aparna Santhanam বলেন “ ফেসিয়াল করার পর ত্বকে হাইড্রেটিং ফেইস প্যাক ব্যবহার করা উচিত। এটি ত্বককে পুষ্টি জুগিয়ে ব্রণ হওয়া রোধ করে। অ্যালোভেরা ফেইস প্যাক তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেশ উপকারী’’।
শুষ্ক ত্বকের জন্য

১। ক্রিমি ক্লিনজার ব্যবহার করুন

নরমাল ফেইস ওয়াস ব্যবহার না করে ক্রিমি ক্লিনজার ব্যবহার করুন। যদি শীতকালে বিয়ে হয় তবে শুষ্ক ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। তখন ময়েশ্চারাইজ ব্যবহার করলে হয় না, ক্রিমি ক্লিনজিং লোশন ব্যবহার করা প্রয়োজন পড়ে।

২। স্ক্রাবিং করা

শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিমি স্ক্রাব ব্যবহার করুন। এটি ত্বক ময়েশ্চারাইজ করার পাশাপাশি ত্বক হাইড্রেইট করে থাকে।

৩। ময়েশ্চারাইজ ব্যবহার করুন

দিনে আপনি হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু রাতে অব্যশই ঘন ময়েশ্চারাইজ ব্যবহার করবেন। এটি ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ত্বকের রুখতা দূর করে দিবে।
সেনসিটিভ বা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য

১। মাড ফেইস প্যাক ব্যবহার করুন

মাড ফেইস প্যাক ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে থাকে। ত্বক হাইড্রেইট করে অতিরিক্ত তেল শুয়ে নেয়।

২। ক্রিমি ম্যসাজ করুন

দিনে দুইবার ক্রিমি ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ত্বকে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে থাকে। ত্বকের টি জোনে রক্ত সঞ্চালন সচল রেখে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়।

৩। এক্সফলিয়েট করুন

সেনসেটিভ ত্বকে এক্সফলিয়েট ব্যবহারে কিছুটা সাবধান হতে হবে। এমন স্ক্রাব ব্যবহার করা উচিত যা ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক করবে না। কমলার খোসা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য বেশ কার্যকরী।

৪। বেনজিয়াল পারক্সাইড (benzyl peroxide) ব্যবহার করুন

রাতে একবার বেনজিয়াল পারক্সাইড ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেওয়ার সাথে সাথে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করবে।

আরও কিছু টিপস পাওয়া যায় .indianroots থেকে-

•    প্রতিদিন ২ লিটার পানি পান করুন।
•    ডাবের পানি পান করুন। প্রতিদিন একটি ডাবের পানি পান করার চেষ্টা করুন। এটি ত্বক পরিষ্কার করে ভিতর থেকে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।
•    বাইরে যতবার বের হবেন ততবার সান স্ক্রিন ব্যবহার করুন।
•    বিয়ের এক মাস আগ থেকে নতুন কিছু ব্যবহার করবেন না। নতুন ফেইস ওয়াস, নতুন ক্রিম, নতুন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন না। আপনি যেটি সব সময় ব্যবহার করেন সেটিই ব্যবহার করবেন।
•    বিয়ের আগে দুশ্চিন্তায় অনেকেই খাওয়া দাওয়া অনিয়ম করে থাকেন। এটি ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে। এতে ত্বক নির্জীব প্রাণহীন হয়ে পড়ে। বিয়ের আগে প্রচুর পরিমাণে সবজি ও ফল খাওয়া উচিত।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

“খুশকি” চুলের প্রধান শত্রু। মেহেদি মজবুত করবে চুলের গোড়া

  “খুশকি” চুলের প্রধান শত্রু। মেহেদি মজবুত করবে চুলের গোড়া


“খুশকি” চুলের প্রধান শত্রু। চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ এটি। শীতকালে এই খুশকির উপদ্রব বেড়ে যায় অনেকখানি। যাদের চুলে খুশকি থাকে না, তাদের মাথায়ও শীতকালে খুশকি দেখা দিয়ে থাকে। অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করেও এই খুশকি দূর করা সম্ভব  হয় না। মেহেদির কিছু প্যাক আছে যা খুশকি দূর করতে বেশ কার্যকরী। চুল পড়া রোধ করে চুলের গোড়া মজবুত করার কাজে মেহেদি ব্যবহার হয়ে আসছে আদিযুগ থেকে। চুলে মেহেদি অনেকভাবে লাগানো যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক মেহেদির কিছু প্যাকের কথা।

১। ডিম, অলিভ অয়েল এবং মেহেদির প্যাক

ডিমের সাদা অংশ, অলিভ অয়েল এবং মেহেদি গুঁড়ো মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি চুলের গোড়ায় খুব ভাল করে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

২। লেবু, টকদই এবং মেহেদি

একটি লেবুর রস, চার টেবিল চামচ মেহেদির গুঁড়ো এবং পরিমাণমত টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি চুলের গোঁড়া থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ চুলে লাগিয়ে নিন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। তারপর কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলে যাবেন না।

৩। মেহেদি, অলিভ অয়েল এবং মেথি

মেহেদি গুঁড়ো, লেবুর রস, এক টেবিলচামচ অলিভ অয়েল, সাদা ভিনেগার , মেথি গুঁড়ো এবং দুই টেবিল চামচ টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।  এবার প্যাকটি ১২ ঘণ্টা রেখে দিন। পরেরদিন সকালে এই প্যাকটি মাথায় ভাল করে লাগিয়ে নিন। ২-৩ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এই প্যাকটি খুশকি দূর করবে, চুলের গোড়া মজবুত করে চুলকে স্বাস্থ্যোজ্বল করে তুলবে।

৪। মেহেদি, মেথি এবং সরিষা তেল

একটি পাত্রে সরিষা তেল গরম করে নিন। সরিয়া তেল থেকে ধোঁয়া উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। তারপর এতে কিছু তাজা মেহেদি পাতা এবং দুই চা চামচ মেথি দিয়ে দিন। অপেক্ষা করুন যতক্ষণ পর্যন্ত মেহেদির পাতার রং পরিবর্তন না হয়। মেহেদির পাতার রং পরিবর্তন হতে কয়েক ঘন্টা লেগে যায়। সবচেয়ে ভাল হয়ে এটি এভাবে সারারাত রাখুন। পরেরদিন এটি ছেঁকে পাতা এবং তেল আলাদা করে নিন। এই তেলটি নিয়মিত চুলে ম্যাসাজ করে লাগান। এক ঘণ্টা এই তেল মাথায় রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
মেহেদির এই প্যাকগুলো নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া রোধ করবে তার সাথে সাথে খুশকি দূর করে দিবে।


লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

প্রচণ্ড স্ট্রেসের মাঝেও ভালো ভাবে ঘুমানোর কিছু কৌশল

 প্রচণ্ড  স্ট্রেসের  মাঝেও  ভালো ভাবে  ঘুমানোর  কিছু কৌশল




স্ট্রেসের কারণে রাতের ঘুম বাধাগ্রস্থ হয়। যা পরবর্তী দিনে আরো বেশি স্ট্রেসড করে তোলে। যদি প্রায়ই এইরকম হয় তাহলে স্ট্রেস দূর করার চেষ্টা করতে হবে। বর্তমান একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, শতকরা ৭৫ ভাগ মানুষ সপ্তাহে ৩-৪ রাত ঘুমের সমস্যায় ভোগে। দীর্ঘস্থায়ী ঘুমের সমস্যার ফলে হৃদযন্ত্রের সমস্যা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, বিষণ্ণতা, উদ্বেগ এবং ওজন বৃদ্ধির সমস্যা হয়। যখন পর্যাপ্ত ঘুম হয়না তখন চর্বি সংরক্ষণের হরমোন করটিসল নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। রাতে স্ট্রেস দূর করে কিভাবে শান্তিতে ঘুমানো যায় তার কিছু উপায় আমরা আজ জেনে নিই আসুন।

১। একটি দিকনির্দেশনার ম্যানুয়াল পড়ুন

বিরক্তিই ভালো। সাধারণত কোন জিনিষের ম্যানুয়াল পড়তে আমাদের মোটেও ভালো লাগেনা বরং খুবই বিরক্ত লাগে পড়তে। রাতে যখন ঘুম আসবেনা তখন এই রকম বিরক্তিকর কিছু পড়ুন যাতে কোন ঘটনা বা উত্তেজনা নেই। দেখবেন কিছুক্ষণ পড়ার পর ঘুম চলে আসবে।

২। বর্ণানুক্রমে ফলের নাম বের করার চেষ্টা করুন

বর্ণমালার প্রতিটা অক্ষর দিয়ে ফলের নাম খুঁজে বেড় করার চেষ্টা করুন। সবজি দিয়েও শুরু করতে পারেন।

৩। ঘুমানোর ১-২ ঘন্টা আগেই শিথিলায়নের চেষ্টা করুন

সন্ধ্যার সময় থেকেই যতটুকু সম্ভব উত্তেজনা পরিহারের চেষ্টা করুন। যে কাজ গুলো করলে শিথিল হওয়া যায় সেগুলো করার চেষ্টা করুন, যেমন- বই পড়া, হালকা ইয়োগা করা, গোসল করা অথবা আপনার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলা।

৪। দুপুরের মধ্যেই ক্যাফেইন গ্রহণ বাদ দিন

ক্যাফেইন গ্রহণ করার ৮-১৪ ঘন্টা পর্যন্ত শরীরে থাকে। ক্যাফেইন বিভিন্ন মানুষের শরীরে বিভিন্ন প্রকার প্রভাব ফেলে। কিন্তু আপনার যদি ঘুমের সমস্যা থাকে তাহলে এক মাসের জন্য ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় (চা, কফি, চকলেট ইত্যাদি) পান করা বাদ দিন এবং এতে আপনার ঘুমের উন্নতি হবে। এগুলোর পরিবর্তে পানি, হারবাল চা ও হারবাল কফি পান করুন।

৫। স্ট্রেসের কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা করুন

কী কারণে আপনি স্ট্রেস অনুভব করছেন তাঁর সঠিক কারণ নির্ণয় করার চেষ্টা করুণ। কারণ চিহ্নিত করতে পারলে এর থেকে বের হওয়ার উপায়ও আপনি খুঁজে পাবেন এবং শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন।

৬। সকাল বেলা আপনার সমস্যাটি লিখে ফেলুন

আপনার দুশ্চিন্তার বিষয় গুলো যখন আপনি লিখে ফেলবেন তখন আপনি তাৎক্ষণিক একটা মুক্তি অনুভব করবেন। এমন অনেক বিষয় থাকে যা আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে, আপনি যখন লিখবেন তখন সেই বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হবে এবং যা আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে তা নিয়ে কিছুটা হলেও দুশ্চিন্তা কমবে।

৭। সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করুন

যে সমস্যার কারণে আপনার রাতের ঘুম বাধাগ্রস্থ হচ্ছে তার সমাধানের উপায় খুঁজে বের করুন এবং কার্যকরী পদক্ষেপ নিন।

৮। আপনার চিন্তা গুলোকে কিছু সময়ের জন্য বিরতি দিন

আপনি যে কারণে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তা যেন দীর্ঘদিন স্থায়ী না হয়। তাই সকাল বেলায় আপনার মনকে বলুন, ‘দুশ্চিন্তা দূর হও’। নিজের প্রতি দয়াবান হোন, সকলেই দুশ্চিন্তা ও স্ট্রেসের স্বীকার হন এটা শুধুমাত্র আপনার বিশেষ কোন সমস্যা না। দুশ্চিন্তাকে পাশ কাটিয় আপনার দৈনন্দিন কাজে মনোনিবেশ করুন।

৯। একাগ্রতার কৌশল অবলম্বন করুন

The Mindful Awareness Research Center at UCLA ঘুমের জন্য কিছু তৈরি করেছে, যেমন- আপনার বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে গভীর ভাবে শ্বাস নিন, যতটুকু সম্ভব শিথিল হওয়ার চেষ্টা করুন। নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের দিকে নজর দিন। আপনার শরীরের প্রতিটা অঙ্গের দিকে খেয়াল করার চেষ্টা করুন। প্রথমে পায়ের আঙ্গুল দিয়ে শুরু করুন। আস্তে আস্তে মাথার দিকে আসতে থাকুন, কোথাও কোন টেনশন অনুভব করছেন কিনা বুঝার চেষ্টা করুন। এই পুরু সময়টাতে গভীর ভাবে নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নিতে থাকুন। যখন মস্তিষ্কে মনোযোগ দেবেন তখন কল্পনা করুন যে, আপনার সাড়া শরীর শিথিল হচ্ছে।

১০। নাকের বাম পাশের ছিদ্র দিয়ে দম নিন ও ছাড়ুন

হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে আপনার নাকের ডান পাশের ছিদ্রটি চেপে ধরে বাম পাশের ছিদ্র দিয়ে গভীর ভাবে শ্বাস নিন ও আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ছাড়ুন, এভাবে ২৬ বার করুন। এর ফলে শরীর ও মন শিথিল হয়।
টিপস
•    •         ঘুমানোর আগে মিষ্টি সুরের গান শুনতে পারেন।
•    •         বেডরুম যেন ঠান্ডা থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
•    •         সম্ভব হলে বেডরুমে অন্য কোন কাজ না করে শুধু ঘুমানোর জন্য ব্যবহার করুন।
•    •         বেডরুমের আলো একেবারে কমিয়ে দিন। কম উজ্জ্বল ডিম লাইট লাগান।
•    •         পায়ে মোজা পরে নিতে পারেন। অনেক সময় পা ঠাণ্ডা হয়ে থাকলে ঘুম আসেনা।
•    •         অগোছালো ঘরে ঘুম আসেনা। আপনার বেডরুম সাজিয়ে গুছিয়ে রাখুন, এতে আপনি শান্তি ও তৃপ্তি পাবেন।
•    •         ঘুমের আগে প্রার্থনা করুন। প্রার্থনা মনকে শান্ত করে।
•    •         ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলে বাদ দিন
•    এগুলো অনুসরণের পরও যদি আপনার স্ট্রেস না কমে এবং ঘুমের সমস্যা থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

রিমুভার ব্যবহারের সময় নেই? চটজলদি মেকআপ উঠিয়ে ফেলুন এই কৌশলে



 রিমুভার ব্যবহারের সময় নেই? চটজলদি মেকআপ উঠিয়ে ফেলুন এই কৌশলে

এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয় সব নারীকেই। উপলক্ষ্য যাই হোক, দেখা যায় বাড়ি ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেলো। ঘুমে ভেঙ্গে আসছে শরীর অথচ মুখ ভরা মেকআপ। এমন সময়ে মেকআপ না তুলে ঘুমাতে যাবার তো প্রশ্নই ওঠে না, তা হবে ত্বকের জন্য সুইসাইড! অথচ মেকআপ রিমুভার দিয়ে বসে বসে মেকআপ তোলারও সময় নেই। তাহলে কী করবেন? দেখে নিন খুব কার্যকরী কিছু কৌশল।

১) নারিকেল তেল

অনেক রকম উপায়ে নারিকেল তেল ব্যবহার করা যায়। স্বাস্থ্যের জন্য নারিকেল তেল খাওয়াটা যেমন উপকারী তেমনি ত্বক ও চুলের যত্নের জন্যও তা কাজে আসে। মেকআপ রিমুভার হিসেবেও নারিকেল তেল দারুণ। বেশ কিছুটা নারিকেল তেল মুখে মেখে নিন, মেকআপ গলে উঠে আসবে। এটা ওয়াটারপ্রুফ মাসকারার মতো কঠিন মেকআপ তুলতেও সহায়ক। এটা আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার কাজটাও করে থাকে। বেবি অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন একইভাবে।

২) ময়েশ্চারাইজার

খুব দ্রুত মেকআপ তোলার জন্য সারা মুখে আপনার প্রিয় ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম অথবা লোশন মেখে নিন। এবার টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন সেটা। কয়েক সেকেন্ডেই মেকআপ উঠে আসবে।

৩) বেবি ওয়াইপ

হাসবেন না, এই পদ্ধতিটি আসলেই কাজ করে! বাচ্চাদের ডায়াপার পাল্টানোর সময়ে যে বেবি ওয়াইপ ব্যবহার করা হয় সেগুলোই আপনার মেকআপ তোলার জন্য কাজে আসবে। বিছানায় বসেই দ্রুত এটা ব্যবহার করে মেকআপ তুলে ফেলতে পারবেন। মেকআপ রিমুভার ওয়াইপও পায়া যায়, সেগুলোও ব্যবহার করতে পারেন।

৪) দুধ

হ্যাঁ, আসলেই মেকআপ তোলার জন্য দুধ ব্যবহার করা যায়। অল্প একটু দুধের সাথে মিশিয়ে নিন কয়েক ফোঁটা আমন্ড অয়েল। ব্যাস, একটা কটন বল দিয়ে এটাকে মুখে মাসাজ করে নিন। এরপর মুখ ধিয়ে নিলেই দেখবেন সব মেকআপ উঠে আসছে।
এছাড়াও আরও কিছু উপায়ে মেকআপ রিমুভার ছাড়াই আপনি মেকআপ তুলে ফেলতে পারেন-
•    –   হালকা গরম পানিতে একটা ছোট তোয়ালে ভিজিয়ে সেটা দিয়ে মুখ মুছে নিতে পারেন
•    –   তোয়ালেতে একটু মধু আর বেকিং সোডা নিয়ে মুখে মেখে নিলেও মেকআপ উঠে আসে
•    –   মুখে কিছুক্ষণ স্টিম নিয়ে এরপর সাধারণ সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললেও মেকআপ চলে যাবে
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

চর্মরোগ প্রতিরোধ করুন সহজ ৫টি কৌশলে !

চর্মরোগ প্রতিরোধ করুন সহজ ৫টি কৌশলে !



ধূমপান, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত স্ট্রেস স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বকের উপর প্রভাব ফেলে থাকে। তাই ত্বক সুস্থ রাখার জন্য ত্বকের যত্নের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং ধূমপান ত্যাগ করা প্রয়োজন। লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

লেবুর সুঘ্রাণে লেমন চিজ কেক

Lemon Cheesecake with Lemon flavor | লেবুর সুঘ্রাণে লেমন চিজ কেক

চিজ কেক খাবারটি যে কোন পার্টিতে মানিয়ে যায় বেশ। নতুন স্বাদের কোন একটা চিজ কেক পরিবেশন করতে চান? তাহলে জেনে নিন নাজিয়া ফারহানার লেমন চিজ কেকের রেসিপি।

উপকরণ

১. ক্রিম চিজ -২৫০ গ্রাম
২. ক্রিম-১ টিন
৩.সাদা জেলোটিন -১ প্যাকেট
৪.ঘন দুধ -১ কাপ
৫.চিনি -১ কাপ
৬. লেমন জেলো -১ প্যাকেট
৭. লেবুর রস-২ টেবিল চামচ
৮. মাখন-১০০ গ্রাম
৯. মারি বিস্কুট গুঁড়ো  -১ প্যাকেট
১০. লেবু গোল করে কাটা -৮/১০ টা

প্রনালী

-প্রথমে বিস্কুট গুঁড়ো আর মাখন ভালো করে মাখিয়ে কেক মোল্ডের নীচে সমান ভাবে বিছিয়ে ১০মিনিট ফ্রীজে রাখতে হবে। -এই বার লেবু কাটা আর লেমন জেলো বাদে বাকী সব উপকরণ একসাথে বিট করে বিস্কুটের লেয়ারের উপর সমান করে ঢেলে দিয়ে ২০ মিনিট আবার ফ্রীজে রাখতে হব।
-এই বার লেমন জেলো বানিয়ে এরউপর ঢেলে তার উপর লেবু কাটা সাজিয়ে ফ্রীজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।

লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।


ওজন কমিয়ে ফেলুন খুব সহজ ৮টি কৌশলে!

Loss you weight only 8 Tips -ওজন কমিয়ে ফেলুন খুব সহজ ৮টি কৌশলে!


আচ্ছা খুব সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করে যদি ওজন কমানো যায়, তবে কেমন হয়? শুনে খুব অবাক লাগছে না? কিছু কাজ আছে যা নিয়মিত করার ফলে আপনার ওজন কমে যাবে অনেকখানি। এই কাজগুলো আপনার মস্তিষ্কে সংকেত দেয় আপনি কতটুকু ক্যালরি গ্রহণ করবেন, কোন খাবার খাবেন কোনটি খাবেন না। যা আপনার ওজন বৃদ্ধিতে বাঁধা প্রদান করে। এই ছোট পরিবর্তনগুলো আপনার শরীরের কিছু হরমোন তৈরি করে যা আপনার ওজন হ্রাস করে থাকে। এমন কিছু সহজ এবং কার্যকরী কৌশল জেনে নিন।

১। নিয়মিত জিন্স  পরিধান করা

নিয়মিত জিন্স পরিধান আপনার পেটের মেদ সংকুচিত করে দেয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে যারা সারা দিন জিন্স পরে থাকেন আর যারা কোয়ার্টার মাইল পর্যন্ত হেঁটে থাকেন, তাদের সমপরিমাণ ওজন হ্রাস হয়। আপনি হয়তো টাইট জিন্স পরতে স্বচ্ছান্দ্যবোধ নাও করতে পারেন, কিন্তু এই টাইট জিন্সই আপনার ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে।

২। লাল রঙ্গের ফল খান

সবুজ রঙ্গের ফলের পরিবর্তে লাল রঙ্গের ফল খান। তরমুজ, লাল আঙ্গুর, লাল আপেল, টমেটো, চেরি, স্ট্রবেরি ইত্যাদি লাল রঙ্গের ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন। লাল রঙ্গের ফলে অ্যানথোসায়ানিন আছে, যা পেটে চর্বি জমতে বাঁধা প্রদান করে।

৩। ক্যালরিযুক্ত সকালের নাস্তা

২০১২ সালের Tel Aviv University Medical Center এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা সকালে ভারী নাস্তা খান তাদের প্রায় ৩৭ পাউন্ড ওজন হ্রাস পায়, যারা লো-ক্যালরির খাবার গ্রহণ করে তাদের থেকে।

৪। ফলের ঘ্রাণ গ্রহণ করুন

এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে ফ্রেশ ফল যেমন কলা, আপেল, নাশপাতি ইত্যাদির ঘ্রাণ আপনার অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা অনেকখানি কমিয়ে দেয়। এমনকি এটি অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে বাধা প্রদান করে থাকে। এই একটি কৌশল কোন খাবার গ্রহণ না করে আপনার ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করবে।

৫। হাত মুষ্টি করুন

আপনি যখন খাবার খেতে বসবেন, তখন হাত শক্ত করে মুষ্টিবোধ করে নিন। Journal of Consumer Research in 2011 তে দেখা গেছে যে যারা কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড হাত মুষ্টিবোধ করে রাখেন তারা সহজে তাদের খাবার খাওয়া নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন।

৬। খাবারে প্লেট ছোট করুন

আপনি আপনার পছন্দের সব খাবার গ্রহণ করুন, কিন্তু তা ছোট একট প্লেটে খান। খাবার খাওয়ার জন্য ছোট প্লেট বেছে নিন।

৭।ব্ল্যাক কফি পান করুন

ব্ল্যাক কফিতে জিরো ক্যালরি থাকে, যেখানে দুধ মিশানো কফিতে ৮০ ক্যালরি থাকে। আপনি যদি নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করেন তবে বছরে ১৪ পাউন্ড পর্যন্ত ওজন হ্রাস করা সম্ভব!

৮। হট চকলেট মিল্ক

হট চকলেট মিল্ক আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে অনেকখানি। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি আছে। এবং এর উচ্চ মাত্রার প্রোটিন আপনার প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে থাকে। এছাড়া এটি শরীরে চর্বি কাটতে সাহায্য করে থাকে।
এই কাজগুলো ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। এর জন্য ব্যায়াম বা খুব বেশি ডায়েটের প্রয়োজন নেই।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

সুস্বাদু পেঁয়াজ পাতার অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা

সুস্বাদু পেঁয়াজ পাতার অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা

আপনি কি চাইনিজ বা কন্টিনেন্টাল খাবার পছন্দ করেন? এই খাবার গুলো তৈরির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হচ্ছে পেঁয়াজ পাতা। ৫০০০ বছর পূর্বে চীনে প্রথম উৎপন্ন হয় পেঁয়াজ পাতা। আপনি কি জানেন প্রাচীন মিশরীয়রা পৃথিবীর প্রতীক হিসেবে পেঁয়াজের কন্দকে পূজা করত? পেঁয়াজ পাতা ও পেঁয়াজের কন্দ সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। এতে উচ্চ মাত্রার সালফার থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এই নরম কচি পেঁয়াজে ক্যালরি কম থাকে। একে স্প্রিং অনিওন বা সবুজ পেঁয়াজ ও বলা হয়। পেঁয়াজ পাতা ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১২ এবং থায়ামিন সমৃদ্ধ। পেঁয়াজের কন্দে ভিটামিন এ ও ভিটামিন কে থাকে। এছাড়াও কপার, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ক্রোমিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ফাইবার থাকে। কোয়ারসেটিন নামক ফ্ল্যাভনয়েডের উৎস এই পেঁয়াজ পাতা। পেঁয়াজ পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো জানা যাক এবার।

১। হৃদ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

পেঁয়াজ পাতার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেলের কাজে বাঁধা প্রদান করে কোষ কলার এবং DNA এর ক্ষতি রোধ করতে পারে। পেঁয়াজ পাতার ভিটামিন সি কোলেস্টেরল ও রক্ত চাপের উচ্চ মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে যা হৃদ রোগের ঝুঁকি কমায়। পেঁয়াজ পাতার সালফার করোনারি হার্ট ডিজিজ এর ঝুঁকি কমিয়ে থাকে।

২। শ্বাসযন্ত্রের কাজে সহায়তা করে

অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় পেঁয়াজ পাতা সাধারণ ঠাণ্ডা, ফ্লু ও ভাইরাল ইনফেকশনের ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শ্বাসযন্ত্রের কাজকে উদ্দীপিত করা ও কফ বাহির করে দিতে সাহায্য করে পেঁয়াজ পাতা।

৩। হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে

পেঁয়াজ পাতায় উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে থাকে যা হাড়ের স্বাভাবিক কার্যাবলীর জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন সি কোলাজেনের সমন্বয় সাধনে কাজ করে যা হাড়কে শক্তিশালী করে। অন্যদিকে ভিটামিন কে হাড়ের ঘনত্ব রক্ষায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।

৪। স্বাভাবিক দৃষ্টির রক্ষণাবেক্ষণ করে

লুটেইন ও জেনান্থিন নামক ক্যারোটিনয়েড এর উপস্থিতির জন্য পেঁয়াজ পাতা চোখের প্রতিরক্ষায় প্রভাব বিস্তার করে। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং স্বাভাবিক দৃষ্টির রক্ষণাবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ভিটামিন এ যা স্প্রিং অনিওন এর সবুজ অংশে থাকে।

৫। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

সবুজ পেঁয়াজের সালফার যাতে অ্যালাইল সালফাইড থাকে তা কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সবুজ পেঁয়াজে ক্যান্সার রোধী উপাদান ফ্লেভনয়েড থাকে।

৬। পাকস্থলীর জটিলতা প্রতিরোধ করে

সবুজ পেঁয়াজ গ্যাস্ট্রো ইন্টেস্টাইনাল সমস্যা প্রশমনে উপকারী ভূমিকা রাখে। ডায়রিয়া এবং পাকস্থলীর জটিলতার ক্ষেত্রে শক্তিশালী প্রাকৃতিক প্রতিকার হচ্ছে স্প্রিং অনিওন। অধিকন্তু রুচি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ও পেঁয়াজ পাতার উচ্চ মাত্রার ফাইবার হজম সহায়ক।

৭। ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে

পেঁয়াজ পাতার খনিজ উপাদান সালফার ছত্রাকের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করে এবং ভিটামিন  কে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। এছাড়াও এঁরা রক্ত সংবহনের উন্নতি করে এবং শরীরে ভিটামিন বি১ এর শোষণের মাধ্যমে চাপ ও ক্লান্তি কমায়। শরীরের কলার প্রদাহ ও ক্ষতি থেকে রক্ষা করে পেঁয়াজ পাতার ভিটামিন সি।
এগুলোর পাশাপাশি পেঁয়াজ পাতায় অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি হিস্টামিন উপাদান থাকে যা আরথ্রাইটিস ও অ্যাজমার চিকিৎসায় ভালো ফল দেয়, বিপাকে সহায়তা করে, চোখের অসুখের জন্য ভালো, ত্বকের কুঞ্চন প্রতিরোধ করে ও রক্তের সুগার লেভেল কমায় সাহায্য করে। তাই স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় নিয়মিত পেঁয়াজ পাতা খান।

লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৬

জেনে নিন , স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !!


জেনে নিন , স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !!

চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বলে পরিচিত হিম্পোক্রিটস মানবদেহের ক্যান্সার, ঘা, কুষ্ঠ সারাতে, রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ ও পরিপাকতন্ত্রের হজমজনিত সমস্যা দূর করতে রোগীদের রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিতেন। শুধু তাই নয়, আধুনিক ভেষজ চিকিৎসকরাও সর্দি, কাশি, জ্বর, ফ্লু, ব্রঙ্কাইটিস, কৃমি, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য পরিপাকের সমস্যাসহ লিভার ও পিত্তথলির নানা উপসর্গ দূর করতে রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি মাঝারি সাইজের রসুনে ১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে। শুধু তাই নয়, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকরী। আর তাই শরীরের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসাথে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খান। রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে ১০ কোয়া রসুন খেতে পারেন। তা ছাড়া রসুনের জল সেবন করতে হলে ছয়কোয়া রসুন পিষে এককাপ ঠাণ্ডা পানিতে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালোভাবে ছেঁকে রসুন জল সেবন করুন।
উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম। এটি প্রমাণের জন্য বিজ্ঞানীরা একদল লোকের প্রত্যেককে দৈনিক চার আউন্স পরিমাণ মাখন খেতে দিয়েছিলেন। মাখন খাওয়ার ফলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তারপর এ দলের অর্ধেককে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় রসুন খাওয়ান হলো। রসুন খাওয়ার পর মাখন গ্রহণকারীদের রক্তের কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা হলো। ফলে দেখা গেল রসুন সেবনকারীদের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা অন্যদের চেয়ে শতকরা সাত ভাগ কম। পাশাপাশি হৃদরোগ কমানোর জন্য রসুন রক্তনালীতে রক্ত জমাটবাঁধা প্রতিরোধে সাহায্য করে। আর তাই তো গবেষকদের অভিমত, রসুন রক্ত জমাট নিরোধী অ্যাসপিরিনের মতোই শক্তিশালী।
রসুন কিভাবে খাবেন?
রসুন খেতে হলে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে হবে। কারণ চিবিয়ে না খেলে রসুনের রাসায়নিক উপাদান এলিসিন নির্গত হবে না। কারণ এই এলিসিনই হচ্ছে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। রসুনের এই অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা কাজে লাগানোর জন্য কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম।
সাবধানতা
যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপজ্জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

রসুনের ৩৪ টি এবং কাচা পিয়াজের ৮ টি অসাধারন গুনাগুন

রসুনের ৩৪ টি এবং কাচা পিয়াজের ৮ টি অসাধারন গুনাগুন, মোট ৪২ টি অসাধারন স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনি জানলে অবাক হয়ে যাবেন



নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা দূর করতে কাঁচা রসুনের জুড়ি নেই। ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল সাইন্সের গবেষণায় রসুনের গুনাগুন প্রকাশ পায়। আজ জেনে নিন রসুনের গুনাগুন সম্পর্কে:

১) হৃদপিণ্ডের সুস্থতায় কাজ করে। কোলেস্টেরল কমায়। এতে করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

২) শিরা উপশিরায় প্লাক জমতে বাঁধা প্রদান করে। রক্ষা করে শিরা উপশিরায় মেদ জমার মারাত্মক রোগ অথেরোস্ক্লেরোসিসের হাত থেকে।

৩) উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা দূর করে।

৪) গিঁট বাতের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

৫) ফ্লু এবং শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

৬) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দেহে খারাপ ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ, জন্ম এবং বংশবিস্তারে বাঁধা প্রদান করে।

৭) যক্ষ্মা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

৮) দেহের বিভিন্ন অংশের পুঁজ ও ব্যথাযুক্ত ফোঁড়ার যন্ত্রণা কমায়।

৯) যৌনমিলনের অসাবধানতা বশত রোগ ট্রিকোমোনিয়াসিসের হাত থেকে রক্ষা করে।

১০) হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।

১১) কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

১২) গলব্লাডার ক্যান্সার মুক্ত রাখে।

১৩) স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

১৪) রেক্টাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে।

১৫) প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

১৬) পরিপাকতন্ত্রের নানা সমস্যা দূর করে।

১৭) ইষ্ট ইনফেকশন দূর করে।
১৮) শিরা উপশিরায় জমাট বাঁধা রক্ত ছাড়াতে সহায়তা করে।

১৯) ক্ষুধামন্দা ভাব দূর করে।

২০) দেহের অভ্যন্তরীণ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং কৃমি ধ্বংস করে।

২১) চোখে ছানি পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

২২) হাতে পায়ে জয়েন্টের ব্যথা দূর করে এবং বাতের ব্যথা সারায়।

২৩) ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

২৪) স্টাফিলোকোক্কাস ইনফেকশন দূর করে।

২৫) দাঁতের ব্যথা সারাতে সহায়তা করে।

২৬) ব্রণ সমস্যা দূরে রাখে।

২৭) আঁচিলের সমস্যা সমাধান করে।

২৮) দাদ, খোস-পাঁচড়া ধরণের চর্মরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

২৯) চামড়ায় ফোসকা পড়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়।

৩০) রসুনের ফাইটোনসাইড অ্যাজমা সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

৩১) দীর্ঘমেয়াদী হুপিং কাশি ও ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৩২) ঘুম না হওয়া, অনিদ্রা রোগ মুক্ত রাখে।

৩৩) ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

৩৪) দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

সতর্কতাঃ
১) দিনে ২ কোয়ার বেশি কাঁচা রসুন খাওয়া যাবে না। রান্নায় রসুন ব্যবহার হলেও দিনে মাত্র ২ কোয়া রসুন খাওয়া যায়।
২) রসুনে অ্যালার্জি কিংবা কোনো বিশেষ কারণে রসুন খাওয়া বন্ধ থাকলে তাদের রসুন না খাওয়াই ভালো।
৩) অতিরিক্ত রসুন খেলে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, বমিভাব হতে পারে।

কাচা পিয়াজের গুনাগুন


পেঁয়াজ ছাড়া আমাদের একদিনও চলেনা। ভাত রান্না বাদে যেকোনো রান্নায় পেঁয়াজ ছাড়া আমাদের চলে না। শুধু রান্নার কাজেই নয় পেঁয়াজের রয়েছে আরও অনেক গুণ। পেঁয়াজ শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না সেই সাথে আমাদের দেহের অনেক উপকার করে থাকে। চলুন তবে আজকে জেনে নেয়া যাক পেঁয়াজের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।

১। পেঁয়াজে অবস্থিত ফাইটোকেমিক্যাল (ভিটামিন, প্রোটিন, মিনারেল) আমাদের দেহে ভিটামিন সি এর যোগান দিয়ে থাকে ও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

২। পেঁয়াজে বিদ্যমান ক্রোমিয়াম আমাদের দেহে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৩। শত শত বছর ধরেই পেঁয়াজ আমাদের বুকের জ্বালাপোড়া ও যেকোনো ধরণের ইনফেশন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

৪। অনেকেই খবারের সাথে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পছন্দ করেন যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। কাঁচা পেঁয়াজ আমাদের দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে ও আমাদের হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে।

৫। পেঁয়াজের কিউরেকটিন আমাদের দেহে ক্যান্সার কোষ গঠন প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৬। যদি মৌমাছি দেহের কোনো স্থানে কামড় দিয়ে থাকে তাহলে, সেই স্থানে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে দিন দেখবেন জ্বালাপোড়া কমে যাবে।

৭। পেঁয়াজে আছে এমন উপাদান যার জন্য দেহে গ্যাস্ট্রিক আলসার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

৮। পেঁয়াজের সবুজ পাতা (পেঁয়াজ পাতা) গুলোতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-এ। যা আমাদের চোখের জন্য বেশ উপকারী।
Email ThisBlogThis!Share to TwitterShare to FacebookShare to Pinterest

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !


১. একটি মাঝারি সাইজের রসুনে ১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে।

২. ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকরী।

৩. শরীরের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসাথে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খান।

৪. রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে ১০ কোয়া রসুন খেতে পারেন।

৫. উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম। রসুন রক্ত জমাট নিরোধী অ্যাসপিরিনের মতোই শক্তিশালী।

৬. রসুন খেতে হলে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে হবে। চিবিয়ে না খেলে রসুনের রাসায়নিক উপাদান এলিসিন নির্গত হবে না। এলিসিনই হচ্ছে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা কাজে লাগানোর জন্য কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম।

৭. যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপজ্জনক। রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে।

৮. অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম।

৯. রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন।

১০. শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

Bangla Kobita

  • এত হাসি কোথায় পেলে - জসীমউদ্দীন এত হাসি কোথায় পেলে এত কথার খলখলানি কে দিয়েছে মুখটি ভরে কোন বা গাঙের কলকলানি। কে দিয়েছে রঙিন ঠোঁটে কলমী...
  • পূজারিণী - কাজী নজরুল ইসলাম এত দিনে অবেলায়- প্রিয়তম! ধূলি-অন্ধ ঘূর্ণি সম দিবাযামী যবে আমি নেচে ফিরি র”ধিরাক্ত মরণ-খেলায়- এ দিনে অ-বেলায...
  • বনলতা সেন - জীবনানন্দ দাশ হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল-সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয়-সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্...
  • অমন আড়াল দিয়ে লুকিয়ে গেলে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অমন আড়াল দিয়ে লুকিয়ে গেলে চলবে না। এবার হৃদয় মাঝে লুকিয়ে বোসো, কেউ ...
  • নক্সী কাঁথার মাঠ - সাত - জসীমউদ্দীন (সাত) কান্-কানা-কান্ ছুটল কথা গুন্-গুনা-গুন তানে, শোন্-শোনা-শোন সবাই শোনে, কিন্তু কানে কানে | "কি...
  • বনের চাতক-মনের চাতক - জীবনানন্দ দাশ বনের চাতক বাঁধল বাসা মেঘের কিনারায়- মনের চাতক হারিয়ে গেল দূরের দুরাশায়! ফুঁপিয়ে ওঠে কাতর আকাশ সেই ...
  • যেদিন ফুটল কমল কিছুই জানি নাই - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেদিন ফুটল কমল কিছুই জানি নাই আমি ছিলেম অন্যমনে | আমার সাজিয়ে সাজি তারে আনি নাই ...
  • কৃষ্ণকলি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক। মেঘলাদিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো ...
  • অনন্ত প্রেম - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শতবার জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার। চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয় গাঁথিয়াছে গীতহ...
  • হার-মানা হার পরাব তোমার গলে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হার-মানা হার পরাব তোমার গলে- দূরে রব কত আপন বলের ছলে। জানি আমি জানি ভেসে যাবে আভিমান- ...

Recent Post